Wednesday, March 8, 2017
যৌন মিলন অধিকক্ষণ স্থায়ী করতে কিছু দরকারী সেক্স টিপস
আজকাল অধিকাংশ পুরুষ দীর্ঘক্ষণ যৌন মিলন করা তো দুরের কথা যেটুকু সময় তার
স্ত্রীকে আনন্দ দিতে প্রয়োজন সে সময়টুকুও তারা মিলনে স্থায়ী করতে পারেন না।
যদিও এর পেছনে রয়েছে বহুবিধ কারণ। তবে যৌন মিলন নিয়ে যারা মানসিক ভাবে
দুর্বলতায় ভুগেন তারা নিম্নলিখিত টিপসগুলো অনুসরন করে লাভবান হতে পারেন যদি
অন্য কোন যৌন সমস্যায় আক্রান্ত না হয়ে থাকেন।
সহবাস বা যৌন মিলনের আগে করণীয় :-
- যৌন মিলন শুরু করার আগে মন শান্ত করতে হবে৷ মনে কোন প্রকার নেগেটিভ ভাবনা আনা যাবে না৷ একটি বিষয় অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটে - স্বল্পস্থায়ী যৌনতার একমাত্র কারণ হল তাদের শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতা৷
- নিজেকে শারীরিক মিলেনর জন্য শারীরিক এবং মানসিক ভাবে তৈরি করুন৷ সকল প্রকার মানসিক চাপ, উদ্বেগ কমিয়ে আনুন৷
- স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো সাথে যৌন মিলন থেকে বিরত থাকুন৷ স্ত্রী সাথে আপনার মনের ভাবনা গুলি শেয়ার করুন - যে আপনার শারীরিক ও মানসিক পরিস্থিতি সরল করতে সাহায্য করবে৷
- কনডম ব্যবহার করতে পারেন৷তবে অনেক পুরুষরাই অভিযোগ করছেন যে -কনডম ব্যবহারের ফলে তাদের যৌন আকাঙ্খা হ্রাস হচ্ছে৷ তবে এটি মনের ভুল ছাড়া আর কিছুই নয়৷
- তামাক, মদ ও অন্যান্য ওষুধের অতিরিক্ত সেবন দীর্ঘস্থায়ী যৌনতার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে৷ এইগুলি পরিহার করে চলা উচিত।
সহবাস বা যৌনমিলনের সময় করণীয় :-
- যৌনমিলনের আগে কোন মতেই ফোর প্লে বাদ দেবেন না৷ দরকার হলে অধিক সময় নিয়ে ফোর প্লে করুন।
- আসন পরিবর্তন করুন৷ নতুন কিছু আপনার মনোযোগকে আরও রোমাঞ্চিত করে তুলতে পারে৷ সঙ্গীর চাহিদার দিকেও নজর দিন৷
- সহবাসের সময় সঙ্গীর আধিপত্যে লজ্জাবোধ করার কোন কারণ নেই৷
- ধীরে ধীরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিলে পরিশ্রম কম অনুভব হবে ফলে শরীর দীর্ঘক্ষণ যৌনমিলনের জন্য উপযুক্ত থাকবে৷
নারীদের যৌন শীতলতার পেছনে যে কারণ গুলি কাজ করে !
বিয়ের কিছুকাল পর অনেক স্বামীদেরই অভিযোগ করতে দেখা যায় যে, তাদের স্ত্রী
যৌনতার ক্ষেত্রে শীতল আচরণ করেন। এমনিতে খুবই ভালো স্ত্রী ও প্রেমিকা,
কিন্তু যৌনতার প্রশ্ন এলেই গুটিয়ে যান। শারীরিক কোন সমস্যা না থাকা
সত্ত্বেও বিছানায় শীতল আচরণ করেন, অনীহা দেখান বা যথেষ্ট সক্রিয় নন। ফলে
দাম্পত্যে অশান্তি অবধারিত ভাবেই হচ্ছে। অনেক নারী নিজেও বোঝেন নিজের এই
সমস্যাটা, কিন্তু কাকে বলবেন বা কী করবেন, সেটা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না।
আমাদের এই ফিচার সেইসব নারীদের জন্য, যারা শারীরিক ভাবে সুস্থ হওয়া
সত্ত্বেও শীতল যৌন আচরণ করে থাকেন।
নারীর শীতল যৌন আচরণের পেছনে যে সর্বদা শারীরিক বা মানসিক কোন গুরুতর
সমস্যা থাকবে, বিষয়টা তেমন নাও হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিষয়টি
স্বামী স্ত্রীর মাঝে সাধারণ বোঝাপড়ার অভাব, বয়সের পার্থক্য কিংবা অতীতের
কোন ঘটনার কারণে হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে একটু সহমর্মিতা ও ভালোবাসা দিয়েই
সমাধান করা সম্ভব।
বয়সের পার্থক্য ব্যবধান তৈরি করে :- আপনার স্ত্রীর বয়স যদি অনেক কম
হয়ে থাকে কিংবা আপনার সাথে বয়সের পার্থক্যটা বেশী হয়ে থাকে, তবেও তিনি
যৌনতায় শীতল আচরণ করতে পারেন আর এটাই স্বাভাবিক। আমাদের দেশে বহু মেয়েকে
বিয়ে দিয়ে দেয়া হয় কিশোরী বেলায় কিংবা সদ্য তারুণ্যে, যখন হয়তো যৌনতা
সম্পর্কে তার কোন ধারণাই জন্মায়নি ভালভাবে। এক্ষেত্রেও সর্ব প্রথম পরামর্শ
হচ্ছে তাঁকে জোর করবেন না, অযথা রাগ দেখাবেন না। এতে যৌনতা বিষয়টি তার কাছে
অনেক বেশী ভীতিকর হয়ে দাঁড়াবে। ধৈর্য ধরুন। স্ত্রীকে ভালবাসুন, তার সাথে
প্রেম করুন। এক পর্যায়ে যখন তিনি নিজেই আগ্রহী হবেন আপনাকে কাছে পেতে, তখন
যান।
তিনি একটু বেশী লজ্জা পান :- লজ্জা নারীর ভূষণ, এমন হতেই পারে যে
তিনি একটু বেশী লজ্জা পান যৌন সম্পর্কে খোলামেলা হতে। মনে রাখবেন, আমাদের
দেশের মেয়েরা পশ্চিমা দেশের মেয়েদের মত নন। বেশিরভাগ সাধারণ মেয়েরই বিয়ের
আগে যৌনতা সম্পর্কে কোন ধারণা থাকে না আমাদের দেশে। এছাড়া পশ্চিমা মেয়েদের
মত আমাদের দেশের মেয়েরা অনেক কিছুই করতে পারেন না যৌনতার ক্ষেত্রে, এবং
বিষয়টা কেবলই স্বভাব সুলভ লজ্জার কারণে। এক্ষেত্রে স্বামী হিসাবে তাঁকে চাপ
দেবেন না। আপনি যা চান সেটা করার জন্য পীড়াপীড়ি করবেন না। বরং তার অনেক
প্রশংসা করুন বিশেষ মুহূর্তে। আস্তে আস্তে তার লজ্জা কেটে যাবে।
তিনি ভালোবাসার অভাব অনুভব করেন :- যৌনতায় নারীর সক্রিয় হয়ে ওঠার
পেছনে একটি বড় ভূমিকা রাখে ভালোবাসা। তিনি আপনাকে যত বেশী ভালবাসবেন এবং
আপনি যত বেশী ভালোবাসা ও আদর দেখাবেন, স্ত্রী ততটাই সক্রিয় হয়ে উঠবেন
যৌনতার ক্ষেত্রে। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক কেবল যৌনতার নয়, ভালোবাসার।
দুজনের মাঝে মানসিক ভালোবাসার একটি মজবুত সেতু রচনা করুন। দেখবেন যৌনতা
এমনিতেই উচ্ছল হয়ে উঠেছে। মানসিক প্রেম যৌনতায় খোলামেলা ও প্রাণবন্ত হতে
সহায়ক।
অতীতের কোন কাহিনী :- নারী হয়ে জন্মালে ছেলেবেলায় যৌন হয়রানির
সম্মুখীন হওয়া খুবই স্বাভাবিক। এবং এই কারণেও অনেক নারীর যৌনতার প্রতি
আগ্রহ হারিয়ে যায় ও একরকম ভীতির জন্ম নেয় মনে যৌনতা ও পুরুষ সম্পর্কে।
এক্ষেত্রে আপনিই একমাত্র পারেন ভালোবাসা দিয়ে এই ভীতি দূর করতে। আপনার
ভালোবাসায় আপনার প্রতি আস্থা জন্মাবে তার এবং অতীতের স্মৃতি মুছে যাবে।
ক্লান্তি, সন্তান, মানসিক চাপ ইত্যাদি :- আপনি হয়তো ভাবছেন- "দিন
শেষে বাসায় এসেছি, ও কেন সঙ্গ দেবে না আমাকে?" এই ভাবনার মাঝে আপনি ভুলে
যাচ্ছেন যে সারাটা দিন আপনার স্ত্রীও মারাত্মক পরিশ্রম করে এসেছেন। হতে
পারেন তিনি একটু বেশী ক্লান্ত হয়ে গেছেন বলেই যৌনতা নিয়ে বিশেষ আগ্রহী হয়ে
উঠতে পারেন না। সংসার, সন্তান, শ্বশুরবাড়ি, হয়তো নিজের কোন ব্যক্তিগত কষ্ট
বা অফিসের স্ট্রেস- কতকিছুই থাকতে পারে একজন মানুষের জীবনে। আর ক্লান্ত
দেহে মনের মাঝে অনেক ভাবনা নিয়ে আসলেই যৌনতায় মেতে ওঠা যায় না। অন্তত
নারীরা তো পারেনই না। এক্ষেত্রে দুজনে কোথাও বেড়িয়ে আসুন, সমস্যা মিটে
গেলেও যেতে পারে। যৌন জীবনে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে একান্তে ছুটি কাটাবার
সুযোগ হলে।
নিজেকে নিয়ে দ্বিধায় ভোগেন :- ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকে যৌনতায়
সক্রিয় হন না, কারণ একটাই আর তা হলো নিজের ওপরে আস্থার অভাব। নিজেকে যথেষ্ট
আকর্ষণীয় মনে না করা, কিংবা স্বামী হাসবেন কিনা ইত্যাদি ভেবে নিজেকে
গুটিয়ে রাখেন। এক্ষেত্রে আপনি তাঁকে জড়তা কাটাতে সাহায্য করুন, বিশেষ
মুহূর্তে পরার জন্য আকর্ষণীয় পোশাক কিনে দিন আর মাঝে মাঝেই জানান যে কী
করলে তাঁকে আরও ভালো লাগবে এবং আপনাদের সম্পর্ক আরও সুন্দর হয়ে উঠবে।
দেখবেন দ্বিধা কেটে যাবে সহসাই।
যৌনতা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণার অভাব :- অনেক নারীই যৌনতা সম্পর্কে
পর্যাপ্ত ধারণার অভাবে বুঝে উঠতে পারেন না আসলে কী করা উচিৎ আর কীভাবে।
অনেকেই ভাবেন যৌনতার ক্ষেত্রে বেশী সক্রিয় হলে স্বামী তাঁকে বেহায়া বা
নির্লজ্জ ভাববেন। স্ত্রীর এইসব ভুল ধারণা দূর করুন আপনি নিজেই। তাঁকে
পর্যাপ্ত যৌন শিক্ষা দিতে পারেন। নিজে মুখে বলতে সংকোচ বোধ করলে নানান রকম
বইপত্র ও ম্যাগাজিন কিনে দিতে পারেন। আপনি যা জানেন, স্ত্রী সেটা জানলে
আপনাকে তার বুঝতে সুবিধা হবে।
এগুলো গেলো খুবই সাধারণ কারণ। যে কোন মানুষেরই যৌন শীতলতার অন্তরালে থাকতে
পারে গুরুতর মানসিক কিংবা শারীরিক সমস্যা। সাধারণভাবে সমাধান না হলে অবশ্যই
অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। এক্ষেত্রে লজ্জা পাবার কিছুই
নেই। সম্পর্ক বাঁচাতে চাইলে এইসব সমস্যা পুষে না রাখাই ভালো। ধন্যবাদ।
আমার নাম আইরিন পারভীন
ঊষা। ‘‘ঊষা” আমার ডাকনাম, আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। আমার জন্ম
হয়েছে ঢাকায়, যদিও আমার দেশের বাড়ি কুমিলাতে যেখানে আমার দাদা-দাদী থাকেন।
আর আমার বয়স যখন সবেমাত্র ১৩ বছর তখন আমার জীবনে এই ঘটনাটা ঘটে গেল। আমার
পিতা-মাতার দু’কন্যার মধ্যে আমিই বড়, থাকতামও তাদের সঙ্গেই। আমাদের
পরিবারের অন্যদের সঙ্গে আমারও মাঝে মধ্যে দাদা-দাদীর কাছে কুমিলায় যাওয়ার
সুযোগ হতো। আমার বাবা ছিল হালকা-পাতলা গড়নের স্বাভাবিক উচ্চতার একজন মানুষ।
আমার আর বাবার মধ্যে ছিল বিশেষ ধরনের একটা অলিখিত চুক্তি; সে যাই হোক, সেই
মুহূর্তে বাবা-মেয়ের স্বাভাবিক সম্পর্ক সম্পুর্ণ ব্যতিক্রমী এক ধরনের
বিশেষ কিছুতে পরিণত হয়েছিল। তখনকার সময় বাবা ছিল সবেমাত্র চলিশ বছরে পা
দিয়েছে, আর কাজ করতো সরকারের শুল্ক ও আবগারী বিভাগে।
একদা, সম্পুর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে বাবা তাঁর চাকরিটা হারানোর ফলে আমাদের
পরিবার নিদারুণ সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্যে পতিত হলো। আমি অবশ্য বাবার চাকরি
হারানো পেছনে কী কারণ ছিল তা পরিস্কার জানি না। তবে বাবা যে খুবই
কষ্টে-সুষ্টের মধ্যে পরিবারের ভরনপোষণ করতেন সেটা বুঝতে পারতাম। একদিন বাবা
আমাকে নিয়ে দাদা-দাদীর কাছে কুমিলায় বেড়াতে গেলেন। সেখান থেকে বাবা ঢাকায়
ফিরে গেলেও আমি সেখানেই রয়ে গেলাম, গ্রামের একটা স্কুলে ভর্তিও হলাম, আর
দাদা-দাদীর সংসারে গোছগাছ, ধোয়া-মোছার কাজ-কামসহ নিত্যনৈমিত্তিক সবকিছুই
করতে লাগলাম।
দিনকতক পর, বাবা একদিন আমাকে দেখতে এসে সেখানে সে-রাতে থাকার মনস্থ করলো।
মনে হয় তখন রাত এগারোটার মত হবে, বাবা ঘরে এসে আমাকে সকাল সকাল ঘুমিয়ে পড়তে
বললো। একই ঘরে আলাদা বিছানায় বাবাও শুয়ে পড়লো। রাত তখন গভীর, আমি গাঢ় ঘুমে
অচেতন, জানি না বাবা কথন যে আমার বিছানায় চলে এসেছেনÑÑ। সেই মুহূর্তে আমার
ঘুম ভেঙ্গে গেল আর ল্য করলাম তিনি আমাকে খুবই ঘনিষ্ট হয়ে আদর করছেনÑÑ ।
উনি মুখে কিছুই বললেন না, আমার জামা-প্যান্টিসহ ছোট্ট দেহটাকে শুধু শক্ত
করে জড়িয়ে ধরে রইলেন। আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না তিনি আসলে কী করছেন। এক
সময় তিনি আমার জামার ভেতর হাত গলিয়ে দিয়ে ফুলকুঁড়ির মত বেড়ে ওঠা আমার
স্তনযুগলে বুলাতে শুরু করলেন। উনি যথন খুবই ধীরে ধীরে
Read more at: http://www.banglachoti.in/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/
Read more at: http://www.banglachoti.in/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/
আমার নাম আইরিন পারভীন
ঊষা। ‘‘ঊষা” আমার ডাকনাম, আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। আমার জন্ম
হয়েছে ঢাকায়, যদিও আমার দেশের বাড়ি কুমিলাতে যেখানে আমার দাদা-দাদী থাকেন।
আর আমার বয়স যখন সবেমাত্র ১৩ বছর তখন আমার জীবনে এই ঘটনাটা ঘটে গেল। আমার
পিতা-মাতার দু’কন্যার মধ্যে আমিই বড়, থাকতামও তাদের সঙ্গেই। আমাদের
পরিবারের অন্যদের সঙ্গে আমারও মাঝে মধ্যে দাদা-দাদীর কাছে কুমিলায় যাওয়ার
সুযোগ হতো। আমার বাবা ছিল হালকা-পাতলা গড়নের স্বাভাবিক উচ্চতার একজন মানুষ।
আমার আর বাবার মধ্যে ছিল বিশেষ ধরনের একটা অলিখিত চুক্তি; সে যাই হোক, সেই
মুহূর্তে বাবা-মেয়ের স্বাভাবিক সম্পর্ক সম্পুর্ণ ব্যতিক্রমী এক ধরনের
বিশেষ কিছুতে পরিণত হয়েছিল। তখনকার সময় বাবা ছিল সবেমাত্র চলিশ বছরে পা
দিয়েছে, আর কাজ করতো সরকারের শুল্ক ও আবগারী বিভাগে।
একদা, সম্পুর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে বাবা তাঁর চাকরিটা হারানোর ফলে আমাদের
পরিবার নিদারুণ সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্যে পতিত হলো। আমি অবশ্য বাবার চাকরি
হারানো পেছনে কী কারণ ছিল তা পরিস্কার জানি না। তবে বাবা যে খুবই
কষ্টে-সুষ্টের মধ্যে পরিবারের ভরনপোষণ করতেন সেটা বুঝতে পারতাম। একদিন বাবা
আমাকে নিয়ে দাদা-দাদীর কাছে কুমিলায় বেড়াতে গেলেন। সেখান থেকে বাবা ঢাকায়
ফিরে গেলেও আমি সেখানেই রয়ে গেলাম, গ্রামের একটা স্কুলে ভর্তিও হলাম, আর
দাদা-দাদীর সংসারে গোছগাছ, ধোয়া-মোছার কাজ-কামসহ নিত্যনৈমিত্তিক সবকিছুই
করতে লাগলাম।
দিনকতক পর, বাবা একদিন আমাকে দেখতে এসে সেখানে সে-রাতে থাকার মনস্থ করলো।
মনে হয় তখন রাত এগারোটার মত হবে, বাবা ঘরে এসে আমাকে সকাল সকাল ঘুমিয়ে পড়তে
বললো। একই ঘরে আলাদা বিছানায় বাবাও শুয়ে পড়লো। রাত তখন গভীর, আমি গাঢ় ঘুমে
অচেতন, জানি না বাবা কথন যে আমার বিছানায় চলে এসেছেনÑÑ। সেই মুহূর্তে আমার
ঘুম ভেঙ্গে গেল আর ল্য করলাম তিনি আমাকে খুবই ঘনিষ্ট হয়ে আদর করছেনÑÑ ।
উনি মুখে কিছুই বললেন না, আমার জামা-প্যান্টিসহ ছোট্ট দেহটাকে শুধু শক্ত
করে জড়িয়ে ধরে রইলেন। আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না তিনি আসলে কী করছেন। এক
সময় তিনি আমার জামার ভেতর হাত গলিয়ে দিয়ে ফুলকুঁড়ির মত বেড়ে ওঠা আমার
স্তনযুগলে বুলাতে শুরু করলেন। উনি যথন খুবই ধীরে ধীরে
Read more at: http://www.banglachoti.in/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/
Read more at: http://www.banglachoti.in/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/
আমার নাম আইরিন পারভীন
ঊষা। ‘‘ঊষা” আমার ডাকনাম, আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। আমার জন্ম
হয়েছে ঢাকায়, যদিও আমার দেশের বাড়ি কুমিলাতে যেখানে আমার দাদা-দাদী থাকেন।
আর আমার বয়স যখন সবেমাত্র ১৩ বছর তখন আমার জীবনে এই ঘটনাটা ঘটে গেল। আমার
পিতা-মাতার দু’কন্যার মধ্যে আমিই বড়, থাকতামও তাদের সঙ্গেই। আমাদের
পরিবারের অন্যদের সঙ্গে আমারও মাঝে মধ্যে দাদা-দাদীর কাছে কুমিলায় যাওয়ার
সুযোগ হতো। আমার বাবা ছিল হালকা-পাতলা গড়নের স্বাভাবিক উচ্চতার একজন মানুষ।
আমার আর বাবার মধ্যে ছিল বিশেষ ধরনের একটা অলিখিত চুক্তি; সে যাই হোক, সেই
মুহূর্তে বাবা-মেয়ের স্বাভাবিক সম্পর্ক সম্পুর্ণ ব্যতিক্রমী এক ধরনের
বিশেষ কিছুতে পরিণত হয়েছিল। তখনকার সময় বাবা ছিল সবেমাত্র চলিশ বছরে পা
দিয়েছে, আর কাজ করতো সরকারের শুল্ক ও আবগারী বিভাগে।
একদা, সম্পুর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে বাবা তাঁর চাকরিটা হারানোর ফলে আমাদের
পরিবার নিদারুণ সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্যে পতিত হলো। আমি অবশ্য বাবার চাকরি
হারানো পেছনে কী কারণ ছিল তা পরিস্কার জানি না। তবে বাবা যে খুবই
কষ্টে-সুষ্টের মধ্যে পরিবারের ভরনপোষণ করতেন সেটা বুঝতে পারতাম। একদিন বাবা
আমাকে নিয়ে দাদা-দাদীর কাছে কুমিলায় বেড়াতে গেলেন। সেখান থেকে বাবা ঢাকায়
ফিরে গেলেও আমি সেখানেই রয়ে গেলাম, গ্রামের একটা স্কুলে ভর্তিও হলাম, আর
দাদা-দাদীর সংসারে গোছগাছ, ধোয়া-মোছার কাজ-কামসহ নিত্যনৈমিত্তিক সবকিছুই
করতে লাগলাম।
দিনকতক পর, বাবা একদিন আমাকে দেখতে এসে সেখানে সে-রাতে থাকার মনস্থ করলো।
মনে হয় তখন রাত এগারোটার মত হবে, বাবা ঘরে এসে আমাকে সকাল সকাল ঘুমিয়ে পড়তে
বললো। একই ঘরে আলাদা বিছানায় বাবাও শুয়ে পড়লো। রাত তখন গভীর, আমি গাঢ় ঘুমে
অচেতন, জানি না বাবা কথন যে আমার বিছানায় চলে এসেছেনÑÑ। সেই মুহূর্তে আমার
ঘুম ভেঙ্গে গেল আর ল্য করলাম তিনি আমাকে খুবই ঘনিষ্ট হয়ে আদর করছেনÑÑ ।
উনি মুখে কিছুই বললেন না, আমার জামা-প্যান্টিসহ ছোট্ট দেহটাকে শুধু শক্ত
করে জড়িয়ে ধরে রইলেন। আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না তিনি আসলে কী করছেন। এক
সময় তিনি আমার জামার ভেতর হাত গলিয়ে দিয়ে ফুলকুঁড়ির মত বেড়ে ওঠা আমার
স্তনযুগলে বুলাতে শুরু করলেন। উনি যথন খুবই ধীরে ধীরে
Read more at: http://www.banglachoti.in/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/
Read more at: http://www.banglachoti.in/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/
আমার নাম আইরিন পারভীন
ঊষা। ‘‘ঊষা” আমার ডাকনাম, আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। আমার জন্ম
হয়েছে ঢাকায়, যদিও আমার দেশের বাড়ি কুমিলাতে যেখানে আমার দাদা-দাদী থাকেন।
আর আমার বয়স যখন সবেমাত্র ১৩ বছর তখন আমার জীবনে এই ঘটনাটা ঘটে গেল। আমার
পিতা-মাতার দু’কন্যার মধ্যে আমিই বড়, থাকতামও তাদের সঙ্গেই। আমাদের
পরিবারের অন্যদের সঙ্গে আমারও মাঝে মধ্যে দাদা-দাদীর কাছে কুমিলায় যাওয়ার
সুযোগ হতো। আমার বাবা ছিল হালকা-পাতলা গড়নের স্বাভাবিক উচ্চতার একজন মানুষ।
আমার আর বাবার মধ্যে ছিল বিশেষ ধরনের একটা অলিখিত চুক্তি; সে যাই হোক, সেই
মুহূর্তে বাবা-মেয়ের স্বাভাবিক সম্পর্ক সম্পুর্ণ ব্যতিক্রমী এক ধরনের
বিশেষ কিছুতে পরিণত হয়েছিল। তখনকার সময় বাবা ছিল সবেমাত্র চলিশ বছরে পা
দিয়েছে, আর কাজ করতো সরকারের শুল্ক ও আবগারী বিভাগে।
একদা, সম্পুর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে বাবা তাঁর চাকরিটা হারানোর ফলে আমাদের
পরিবার নিদারুণ সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্যে পতিত হলো। আমি অবশ্য বাবার চাকরি
হারানো পেছনে কী কারণ ছিল তা পরিস্কার জানি না। তবে বাবা যে খুবই
কষ্টে-সুষ্টের মধ্যে পরিবারের ভরনপোষণ করতেন সেটা বুঝতে পারতাম। একদিন বাবা
আমাকে নিয়ে দাদা-দাদীর কাছে কুমিলায় বেড়াতে গেলেন। সেখান থেকে বাবা ঢাকায়
ফিরে গেলেও আমি সেখানেই রয়ে গেলাম, গ্রামের একটা স্কুলে ভর্তিও হলাম, আর
দাদা-দাদীর সংসারে গোছগাছ, ধোয়া-মোছার কাজ-কামসহ নিত্যনৈমিত্তিক সবকিছুই
করতে লাগলাম।
দিনকতক পর, বাবা একদিন আমাকে দেখতে এসে সেখানে সে-রাতে থাকার মনস্থ করলো।
মনে হয় তখন রাত এগারোটার মত হবে, বাবা ঘরে এসে আমাকে সকাল সকাল ঘুমিয়ে পড়তে
বললো। একই ঘরে আলাদা বিছানায় বাবাও শুয়ে পড়লো। রাত তখন গভীর, আমি গাঢ় ঘুমে
অচেতন, জানি না বাবা কথন যে আমার বিছানায় চলে এসেছেনÑÑ। সেই মুহূর্তে আমার
ঘুম ভেঙ্গে গেল আর ল্য করলাম তিনি আমাকে খুবই ঘনিষ্ট হয়ে আদর করছেনÑÑ ।
উনি মুখে কিছুই বললেন না, আমার জামা-প্যান্টিসহ ছোট্ট দেহটাকে শুধু শক্ত
করে জড়িয়ে ধরে রইলেন। আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না তিনি আসলে কী করছেন। এক
সময় তিনি আমার জামার ভেতর হাত গলিয়ে দিয়ে ফুলকুঁড়ির মত বেড়ে ওঠা আমার
স্তনযুগলে বুলাতে শুরু করলেন। উনি যথন খুবই ধীরে ধীরে
Read more at: http://www.banglachoti.in/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/
Read more at: http://www.banglachoti.in/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/
আমার নাম আইরিন পারভীন
ঊষা। ‘‘ঊষা” আমার ডাকনাম, আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। আমার জন্ম
হয়েছে ঢাকায়, যদিও আমার দেশের বাড়ি কুমিলাতে যেখানে আমার দাদা-দাদী থাকেন।
আর আমার বয়স যখন সবেমাত্র ১৩ বছর তখন আমার জীবনে এই ঘটনাটা ঘটে গেল। আমার
পিতা-মাতার দু’কন্যার মধ্যে আমিই বড়, থাকতামও তাদের সঙ্গেই। আমাদের
পরিবারের অন্যদের সঙ্গে আমারও মাঝে মধ্যে দাদা-দাদীর কাছে কুমিলায় যাওয়ার
সুযোগ হতো। আমার বাবা ছিল হালকা-পাতলা গড়নের স্বাভাবিক উচ্চতার একজন মানুষ।
আমার আর বাবার মধ্যে ছিল বিশেষ ধরনের একটা অলিখিত চুক্তি; সে যাই হোক, সেই
মুহূর্তে বাবা-মেয়ের স্বাভাবিক সম্পর্ক সম্পুর্ণ ব্যতিক্রমী এক ধরনের
বিশেষ কিছুতে পরিণত হয়েছিল। তখনকার সময় বাবা ছিল সবেমাত্র চলিশ বছরে পা
দিয়েছে, আর কাজ করতো সরকারের শুল্ক ও আবগারী বিভাগে।
একদা, সম্পুর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে বাবা তাঁর চাকরিটা হারানোর ফলে আমাদের
পরিবার নিদারুণ সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্যে পতিত হলো। আমি অবশ্য বাবার চাকরি
হারানো পেছনে কী কারণ ছিল তা পরিস্কার জানি না। তবে বাবা যে খুবই
কষ্টে-সুষ্টের মধ্যে পরিবারের ভরনপোষণ করতেন সেটা বুঝতে পারতাম। একদিন বাবা
আমাকে নিয়ে দাদা-দাদীর কাছে কুমিলায় বেড়াতে গেলেন। সেখান থেকে বাবা ঢাকায়
ফিরে গেলেও আমি সেখানেই রয়ে গেলাম, গ্রামের একটা স্কুলে ভর্তিও হলাম, আর
দাদা-দাদীর সংসারে গোছগাছ, ধোয়া-মোছার কাজ-কামসহ নিত্যনৈমিত্তিক সবকিছুই
করতে লাগলাম।
দিনকতক পর, বাবা একদিন আমাকে দেখতে এসে সেখানে সে-রাতে থাকার মনস্থ করলো।
মনে হয় তখন রাত এগারোটার মত হবে, বাবা ঘরে এসে আমাকে সকাল সকাল ঘুমিয়ে পড়তে
বললো। একই ঘরে আলাদা বিছানায় বাবাও শুয়ে পড়লো। রাত তখন গভীর, আমি গাঢ় ঘুমে
অচেতন, জানি না বাবা কথন যে আমার বিছানায় চলে এসেছেনÑÑ। সেই মুহূর্তে আমার
ঘুম ভেঙ্গে গেল আর ল্য করলাম তিনি আমাকে খুবই ঘনিষ্ট হয়ে আদর করছেনÑÑ ।
উনি মুখে কিছুই বললেন না, আমার জামা-প্যান্টিসহ ছোট্ট দেহটাকে শুধু শক্ত
করে জড়িয়ে ধরে রইলেন। আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না তিনি আসলে কী করছেন। এক
সময় তিনি আমার জামার ভেতর হাত গলিয়ে দিয়ে ফুলকুঁড়ির মত বেড়ে ওঠা আমার
স্তনযুগলে বুলাতে শুরু করলেন। উনি যথন খুবই ধীরে ধীরে আমার সবেমাত্র উঁচু
হয়ে ওঠা স্তনবৃন্তদ্বয়ে আদর করছিলেন তখন আমি তাকালাম। আর আমি আমার দু’হাত
আড়াআড়ি করে বুকের ওপর চেপে ধরে ব্যাপারটাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করতে
লাগলাম।
তাঁর পরনে ছিল লুঙ্গী আর ঢিলেঢালা জামা। তখন সে টেনে আমার জামা খুলে ফেললো,
আর আমার স্তনের বোঁটায় মুখ লাগিয়ে চাটতে শুরু করলো।
Read more at: http://www.banglachoti.in/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/
Read more at: http://www.banglachoti.in/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/
আমার নাম আইরিন পারভীন
ঊষা। ‘‘ঊষা” আমার ডাকনাম, আমি থাকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। আমার জন্ম
হয়েছে ঢাকায়, যদিও আমার দেশের বাড়ি কুমিলাতে যেখানে আমার দাদা-দাদী থাকেন।
আর আমার বয়স যখন সবেমাত্র ১৩ বছর তখন আমার জীবনে এই ঘটনাটা ঘটে গেল। আমার
পিতা-মাতার দু’কন্যার মধ্যে আমিই বড়, থাকতামও তাদের সঙ্গেই। আমাদের
পরিবারের অন্যদের সঙ্গে আমারও মাঝে মধ্যে দাদা-দাদীর কাছে কুমিলায় যাওয়ার
সুযোগ হতো। আমার বাবা ছিল হালকা-পাতলা গড়নের স্বাভাবিক উচ্চতার একজন মানুষ।
আমার আর বাবার মধ্যে ছিল বিশেষ ধরনের একটা অলিখিত চুক্তি; সে যাই হোক, সেই
মুহূর্তে বাবা-মেয়ের স্বাভাবিক সম্পর্ক সম্পুর্ণ ব্যতিক্রমী এক ধরনের
বিশেষ কিছুতে পরিণত হয়েছিল। তখনকার সময় বাবা ছিল সবেমাত্র চলিশ বছরে পা
দিয়েছে, আর কাজ করতো সরকারের শুল্ক ও আবগারী বিভাগে।
একদা, সম্পুর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে বাবা তাঁর চাকরিটা হারানোর ফলে আমাদের
পরিবার নিদারুণ সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্যে পতিত হলো। আমি অবশ্য বাবার চাকরি
হারানো পেছনে কী কারণ ছিল তা পরিস্কার জানি না। তবে বাবা যে খুবই
কষ্টে-সুষ্টের মধ্যে পরিবারের ভরনপোষণ করতেন সেটা বুঝতে পারতাম। একদিন বাবা
আমাকে নিয়ে দাদা-দাদীর কাছে কুমিলায় বেড়াতে গেলেন। সেখান থেকে বাবা ঢাকায়
ফিরে গেলেও আমি সেখানেই রয়ে গেলাম, গ্রামের একটা স্কুলে ভর্তিও হলাম, আর
দাদা-দাদীর সংসারে গোছগাছ, ধোয়া-মোছার কাজ-কামসহ নিত্যনৈমিত্তিক সবকিছুই
করতে লাগলাম।
দিনকতক পর, বাবা একদিন আমাকে দেখতে এসে সেখানে সে-রাতে থাকার মনস্থ করলো।
মনে হয় তখন রাত এগারোটার মত হবে, বাবা ঘরে এসে আমাকে সকাল সকাল ঘুমিয়ে পড়তে
বললো। একই ঘরে আলাদা বিছানায় বাবাও শুয়ে পড়লো। রাত তখন গভীর, আমি গাঢ় ঘুমে
অচেতন, জানি না বাবা কথন যে আমার বিছানায় চলে এসেছেনÑÑ। সেই মুহূর্তে আমার
ঘুম ভেঙ্গে গেল আর ল্য করলাম তিনি আমাকে খুবই ঘনিষ্ট হয়ে আদর করছেনÑÑ ।
উনি মুখে কিছুই বললেন না, আমার জামা-প্যান্টিসহ ছোট্ট দেহটাকে শুধু শক্ত
করে জড়িয়ে ধরে রইলেন। আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না তিনি আসলে কী করছেন। এক
সময় তিনি আমার জামার ভেতর হাত গলিয়ে দিয়ে ফুলকুঁড়ির মত বেড়ে ওঠা আমার
স্তনযুগলে বুলাতে শুরু করলেন। উনি যথন খুবই ধীরে ধীরে আমার সবেমাত্র উঁচু
হয়ে ওঠা স্তনবৃন্তদ্বয়ে আদর করছিলেন তখন আমি তাকালাম। আর আমি আমার দু’হাত
আড়াআড়ি করে বুকের ওপর চেপে ধরে ব্যাপারটাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করতে
লাগলাম।
তাঁর পরনে ছিল লুঙ্গী আর ঢিলেঢালা জামা। তখন সে টেনে আমার জামা খুলে ফেললো,
আর আমার স্তনের বোঁটায় মুখ লাগিয়ে চাটতে শুরু করলো।
Read more at: http://www.banglachoti.in/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/
Read more at: http://www.banglachoti.in/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/
আগে পাকে কে ছেলে না মেয়ে
আমরা প্রথমে ব্যারাকপুরে ভাড়া বাড়িতে থাকতাম। এখন অবস্য বেলঘরিয়ায় থাকি।
সেটা আমার ছোট মামার সৌজন্যে।ছত মামা বিহারে চাকরী করতেন। বাড়িটা বন্ধ করে
চলে গেছেন। তারই অনুরধে বর্তমানে তারই বাড়িতে বসবাস করি।
এবার ঘটনায় আসি। একবার ছোটমামা, মামি আর বোন বিহার থেকে বেলঘরিয়ায় আসে। তাঁরা সাত দিন ছিলেন। একদিন কোনও এক বিশেষ প্রয়োজনে মামা-মামি আর আমার বাবা-মা কোলকাতায় গিয়েছিলেন। মেয়েকে আমার কাছে রেখে গিয়েছিলেন। বলে গেলেন তোরা ভাই-বোন চান করে খেয়ে দুপুরে শুয়ে থাকবি, আমরা সন্ধ্যের মধ্যেই চলে আসব।
বোনের নাম রমা। আমার থেকে ৩-৪ বছরের ছোট। এই বয়সেই বুকের দুধ দুটো বেশ আকার নিয়েছে। আমার সাথে ও বেশ ইয়ার্কি করে। আমি চান করে গামছা পড়ে ঘ্রে এসে প্যান্ট পড়ব সেই সময় ও গামছা টেনে খুলে নিল চান করবে বলে।
আমি ন্যাংটো হতেই ও হাঁসতে হাঁসতে বলে, বাব্বা দাদা তোর নুনুটা এতো বড় আর মোটা।
আমি লজ্জায় তাড়াতাড়ি প্যান্ট পড়ে নিলাম। সেই ফাঁকে ও আমার সামনে জামা প্যান্ট খুলে গামছা পড়তে গেলে আমি ওর বুক আর নীচে উঁচু ঢিবির মতো গুদটা দেখলাম। রমা চান করে এসে আমার সামনে আবার ন্যাংটো হয়ে জামা প্যান্ট পড়ল। আবার ভালো করে দেখলাম। মনের মধ্যে একটা কেমন ভাবের সঞ্চার হল তা ঠিক বোঝাতে পারব না।
যাই হোক আমরা দুজনে খাওয়া সেরে বিছানায় গেলাম শোবার জন্য। কিছুক্ষণ বাদে রমা আমার কাছে সরে এসে একেবারে কাছে মুখ এনে ফিসফিস করে বলল – দাদা এখানে তো কেউ নেই, আয় আমরা বর বৌ খেলা খেলি।
আমি তখন ওকে বললাম, ধ্যাত এসব অসভ্য খেলা কেউ খেলে নাকি?
ও আমাকে জড়িয়ে ধরে বলে – ধর তুই বর আমি তোর বৌ। তুই আমাকে আদর করবি, চুমু খাবি, আস্তে আস্তে আমার সব খুলে ন্যাংটো করে আমার দুধ টিপবি। আমি তখন তোর প্যান্ট খুলে নুনু ধরে নাড়াচাড়া করে দেব। তারপর হথাত আমার উপর উঠে তোর নুনু আমার নুনুতে ঢোকাতে চেষ্টা করবি। আমি তখন পা দুটো ফাঁক করে তোর নুনুটাকে ঢুকতে সাহায্য করব। তারপর নুনুটা ঢুকে গেলে তোকে জড়িয়ে ধরে বলব আমার খুব ভালো লাগছে গো।
আমি তখন ওকে বলি – তুই এরকম খেলা আগে কোনদিন খেলেছিস?
ও হেঁসে বলল – ধ্যাত আজকেই প্রথম খেলবো তোর সাথে। জানিস দাদা আমি একজনকে নতুন বৌয়ের সাথে এরকম খেলা খেলতে দেখেছি। তবে তাঁরা হিনুদস্তানী, আমাদের বাড়ির পাশের বাড়িতে থাকে।
একদিন দুপুরে ছাদে উঠেছিলাম জামা কাপড় মেলতে। তখন হথাত দেখলাম ছেলেটা তার বৌকে জড়িয়ে ধরে খুব চুমু খাচ্ছে। আমি তখন বাড়ির পেছনে দাড়িয়ে সব দেখতে লাগলাম। তারপর থেকে আমার মনে এরকম খেলার ইচ্ছে ছিল। তাই আজকে তোর সাথে খেলতে চাইছি।
এবার ঘটনায় আসি। একবার ছোটমামা, মামি আর বোন বিহার থেকে বেলঘরিয়ায় আসে। তাঁরা সাত দিন ছিলেন। একদিন কোনও এক বিশেষ প্রয়োজনে মামা-মামি আর আমার বাবা-মা কোলকাতায় গিয়েছিলেন। মেয়েকে আমার কাছে রেখে গিয়েছিলেন। বলে গেলেন তোরা ভাই-বোন চান করে খেয়ে দুপুরে শুয়ে থাকবি, আমরা সন্ধ্যের মধ্যেই চলে আসব।
বোনের নাম রমা। আমার থেকে ৩-৪ বছরের ছোট। এই বয়সেই বুকের দুধ দুটো বেশ আকার নিয়েছে। আমার সাথে ও বেশ ইয়ার্কি করে। আমি চান করে গামছা পড়ে ঘ্রে এসে প্যান্ট পড়ব সেই সময় ও গামছা টেনে খুলে নিল চান করবে বলে।
আমি ন্যাংটো হতেই ও হাঁসতে হাঁসতে বলে, বাব্বা দাদা তোর নুনুটা এতো বড় আর মোটা।
আমি লজ্জায় তাড়াতাড়ি প্যান্ট পড়ে নিলাম। সেই ফাঁকে ও আমার সামনে জামা প্যান্ট খুলে গামছা পড়তে গেলে আমি ওর বুক আর নীচে উঁচু ঢিবির মতো গুদটা দেখলাম। রমা চান করে এসে আমার সামনে আবার ন্যাংটো হয়ে জামা প্যান্ট পড়ল। আবার ভালো করে দেখলাম। মনের মধ্যে একটা কেমন ভাবের সঞ্চার হল তা ঠিক বোঝাতে পারব না।
যাই হোক আমরা দুজনে খাওয়া সেরে বিছানায় গেলাম শোবার জন্য। কিছুক্ষণ বাদে রমা আমার কাছে সরে এসে একেবারে কাছে মুখ এনে ফিসফিস করে বলল – দাদা এখানে তো কেউ নেই, আয় আমরা বর বৌ খেলা খেলি।
আমি তখন ওকে বললাম, ধ্যাত এসব অসভ্য খেলা কেউ খেলে নাকি?
ও আমাকে জড়িয়ে ধরে বলে – ধর তুই বর আমি তোর বৌ। তুই আমাকে আদর করবি, চুমু খাবি, আস্তে আস্তে আমার সব খুলে ন্যাংটো করে আমার দুধ টিপবি। আমি তখন তোর প্যান্ট খুলে নুনু ধরে নাড়াচাড়া করে দেব। তারপর হথাত আমার উপর উঠে তোর নুনু আমার নুনুতে ঢোকাতে চেষ্টা করবি। আমি তখন পা দুটো ফাঁক করে তোর নুনুটাকে ঢুকতে সাহায্য করব। তারপর নুনুটা ঢুকে গেলে তোকে জড়িয়ে ধরে বলব আমার খুব ভালো লাগছে গো।
আমি তখন ওকে বলি – তুই এরকম খেলা আগে কোনদিন খেলেছিস?
ও হেঁসে বলল – ধ্যাত আজকেই প্রথম খেলবো তোর সাথে। জানিস দাদা আমি একজনকে নতুন বৌয়ের সাথে এরকম খেলা খেলতে দেখেছি। তবে তাঁরা হিনুদস্তানী, আমাদের বাড়ির পাশের বাড়িতে থাকে।
একদিন দুপুরে ছাদে উঠেছিলাম জামা কাপড় মেলতে। তখন হথাত দেখলাম ছেলেটা তার বৌকে জড়িয়ে ধরে খুব চুমু খাচ্ছে। আমি তখন বাড়ির পেছনে দাড়িয়ে সব দেখতে লাগলাম। তারপর থেকে আমার মনে এরকম খেলার ইচ্ছে ছিল। তাই আজকে তোর সাথে খেলতে চাইছি।
Subscribe to:
Comments (Atom)









